Wednesday, August 20, 2014

যে সকল কারণে নারীরা বেশি বেশি পর্ণোগ্রাফি দেখে! (ভিডিও সহ)


১. নারীরা মনে করে সঙ্গীর সাথে বিছানায় যাবার আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়ে দেয় পর্ণফিল্ম। তবে নারীরা বলেছেন, তাদের পুরুষ সঙ্গীরা একসাথে পর্ণফিল্ম দেখতে লজ্জা পায়। যে কারণে পর্নোগ্রাফিতে নারীদের বেশি আগ্রহ।
২. যারা পর্ণফিল্ম দেখেন সেই সব নারীরা মনে করেন পর্ণফিল্ম দেখে সঙ্গীর সাথে তারা প্রতারণা করে না। বিশ্বাস ভঙ্গের কোনো কাজেই নাকি আগ্রহ বাড়ায় না পর্ণফিল্ম।
৩. পর্ণফ্লিম দেখা বেশিরভাগ নারীরা মনে করে পর্ণফ্লিম দেখলে তাদের মধ্যে হতাশা কাজ করেনা। বেশিরভাগ নারী মনে করে পর্ণফ্লিম তাদের মনকে চাঙ্গা করে।


৪. নারীরা পর্ণফ্লিম দেখে তাদের বর্তমান ও সাবেক সঙ্গীকে অনুভব করার জন্য। এতেই তারা বেশি আনন্দ পায়।
৫. এছাড়া ৫৭ শতাংশ নারীরা একা একা পর্ণফ্লিম উপভোগ করতে আনন্দ পায়। এক্ষেত্রে যাদের বয়স ১৮ থেকে ২৪ তারা এগিয়ে আছে।

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না


পিরিয়ডের অনিয়ম
অনেকেই ডাক্তারের কাছে লজ্জায় পিরিয়ডের অনিয়ম সম্পর্কে জানাতে চান না।
অনিয়মিত পিরিয়ড, দীর্ঘ সময় ধরে পিরিয়ড ইত্যাদি বিষয় গুলো ডাক্তারের কাছে বলতে লজ্জা পান বেশিরভাগ নারী। কিন্তু গাইনি ডাক্তারের কাছে অনিয়মিত পিরিয়ডের কথা এড়িয়ে যাওয়া একেবারেই উচিত না। কারণ অধিকাংশ গাইনি সমস্যাই মাসিকের উপর প্রভাব ফেলে। তাই পিরিয়ড সম্পর্কিত যে কোনো সমস্যাই ডাক্তারের সাথে খোলাখুলিভাবে আলোচনা করা উচিত।
গর্ভপাত
অনাকাঙ্খিত সন্তান নিতে না চাইলে অনেকেই গর্ভপাত করিয়ে ফেলেন। কিন্তু পরবর্তী জীবনে কোনো গাইনি সমস্যা হলে ডাক্তারকে গর্ভপাতের কথা না জানান না অনেকেই। গর্ভপাতের কারণে নানান রকমের গাইনি সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও বিভিন্ন গাইনি সমস্যার সাথে গর্ভপাতের বিষয়টি সম্পর্কযূক্ত থাকতে পারে। তাই গাইনি ডাক্তারের কাছে গর্ভপাতের বিষয়টি লুকানো উচিত না একদমই।
যৌন আকাঙ্ক্ষার ঘাটতি


আপনার যদি স্বাভাবিক যৌন আকাঙ্ক্ষা না থাকে এবং এই ঘাটতি আপনি ও আপনার সঙ্গী অনুভব করতে পারেন তাহলে সেটা গাইনি ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন। বিষয়টি কখনই গাইনি ডাক্তারের কাছে লুকানো উচিত না। কারণ নানান গাইনি সমস্যার কারণে যৌন আকাঙ্ক্ষার ঘাটতি হতে পারে যা অবহেলা করা একদমই উচিত না।
জন্ম নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি
আপনি কোন পদ্ধতিতে জন্ম নিয়ন্ত্রণ করেন, ঘন ঘন আই-পিল খেয়েছেন কিনা এইসব তথ্য অবশ্যই আপনার গাইনি ডাক্তারের সাথে আলোচনা করা উচিত। বিষয়টি এড়িয়ে গেলে আপনার সঠিক শারীরিক সমস্যাটি নির্ণয় করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।
একাধিক শারীরিক সম্পর্ক
আপনি যদি একাধিক সঙ্গীর সাথে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত থাকেন তাহলে সেই বিষয়টি আপনার গাইনি ডাক্তারকে বলুন। বিষয়টি লুকিয়ে গেলে আপনার গাইনি সমস্যা নির্ণয় করা সম্ভব নাও হতে পারে।
ধূমপান/নেশাদ্রব্য/মদ্যপান
আপনার যদি অতিরিক্ত মদ্যপান, ধূমপান কিংবা নেশা করার অভ্যাস থেকে থাকে তাহলে সেটা অবশ্যই আপনার ডাক্তারকে জানিয়ে দিন। কারণ এগুলোর প্রভাব আপনার গাইনি স্বাস্থ্যে পড়ে এবং বিষয়টি আপনার গাইনি ডাক্তারকে জানিয়ে দেয়া উচিত। এতে আপনার চিকিৎসা পদ্ধতি নির্বাচন করতে ডাক্তারের সুবিধা হয়।

নারী বন্ধ্যাকরণ কি?


খুব ছোট অপারেশনের মাধ্যমে মহিলারে প্রজনন ক্ষমতাকে স্থায়ীভাবে বন্ধ করাই হচ্ছে ডিম্ববাহী নালী। জরায়ুর দুই ধারে দুটি ডিম্ববাহী নালী থাকে। সেই নালী দুটির কিছুটা অংশ বেঁধে কেটে দেয়াকে লাইগেশন বলে।
কার্যপদ্ধতি
ডিম্বাশয় থেকে ডিম্ব বের হয়ে শুক্রানুর সাথে মিলিত হতে পারে না। ফলে গর্ভসঞ্চার হয় না।
সুবিধা
অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণের ভয় না থাকায় সহবাসে আনন্দ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। তেমন কোন পাশ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই। আর কোন পদ্ধতি গ্রহণের ঝামেলা থাকে না। গর্ভবতী হলে মৃত্যুঝুঁকি আছে এমন নারীর জন্য খুবই প্রযোজ্য। আর সন্তান না চাইলে এই অপারেশন খুবই ভাল
অসুবিধা
যেহেতু স্থায়ী পদ্ধতি পরবর্তীতে সন্তান ধারণ করতে চাইলেও তা সম্ভব নয়। অপারেশনের পর একরাত হাসপাতাল অথবা ক্লিনিকে থাকতে হয়।
কার্যকরীতা
স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। প্রায় ১০০% ভাগ কার্যকরী।

Thursday, March 13, 2014

যৌনমিলনের আসন কি?

পৃথিবীব্যাপী বিভিন্ন প্রকার যৌনাসন রয়েছে। এগুলোর ব্যাখ্যা আমরা বিভিন্ন সময়ে জেনেছি এটা বলা দরকার যে যৌনমিলনের জন্য যৌনাসন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। পুরুষ কিংবা নারীর যৌন আনন্দ এবং চরমপুলক নির্ভর করে পছন্দ সই যৌন আসনের উপর। যৌন আসনের বেশ কিছু আসন জনপ্রিয় নয়। তবে অনেক দম্পতি এই আসনগুলোতে যৌনমিলন করে থাকে, আসনের একঘেয়েমি কাটাতে। নারী পুরুষের দৈহিক মিলনের আসনগুলো হলো-
পুরুষ উপরে নারী নিচে।
নারী উপরে পুরুষ নিচে।
পাশাপাশি আসন।
বিরল আসন।
বসা আসন।
উল্টো আসন ইত্যাদি।
এই আসনগুলোর মধ্যে পুরুষ উপরে নারী নিচে এবং পাশপাশি আসন দুটো পৃথিবীব্যাপী জনপ্রিয়। পুরুষ উপরের আসনকে মিশনারী আসন বলা হয়। পুরুষ এই আসনে সবচেয়ে বেশি যৌন আনন্দ পেয়ে থাকে। নারীও এই মিশানারী আসনে সবচেয়ে বেশি যৌন আনন্দ লাভ করে।

Thursday, December 19, 2013

প্রথম মিলনে রক্তপাত এর মাধ্যমে নারীর কুমারিত্ব প্রমাণিত হয় কি?




প্রথম মিলনে রক্তপাত এর মাধ্যমে নারীর কুমারিত্ব প্রমাণিত হয়, এটি বিশ্বব্যাপি একটি প্রচলিত ধারণা। অনেকেরধারণা নারীর যৌনাঙ্গের ভিতরে এক টুকরা মাংস পিন্ড থাকে যা প্রথম মিলনে ছিন্নভিন্ন হয়ে রক্তপাত ঘটায়। আবার অনেকের ধারণা, মাংসপিন্ডনয় এট আসলে রক্তনালী দিয়ে তৈরীএকটা জালের মত বস্তু, যা প্রথম মিলনে ছিড়েগিয়ে রক্তপাত ঘটায়। তবে বেশিরভাগ মানুষের ধারণা হলো, এটিআসলে একটি পর্দা যা যৌনাঙ্গের ভিতরের দিকে থাকেএবং যৌনাঙ্গের প্রবেশপথ কে সম্পূর্ণ বন্ধ করে রাখে। প্রথম যৌনমিলনে তা ছিড়ে গিয়ে রক্তপাত ঘটায়। একবার চিন্তা করে দেখুন, তাই যদি হতো, তাহলে মহিলাদের ঋতুস্রাব কি আসলেই সম্ভব হতো? আসলে নারীর যৌনাংগ সমন্ধে স্বচ্ছ ধারণার অভাবই এসব ধারণার মূল কারণ। এই সম্পর্কে আধুনিক ধারণার প্রবর্তক বিখ্যাত আরব বিজ্ঞানী ইবনে-সিনা। আধুনিক মেডিকাল সাইন্স অনুযায়ী, নারীর যৌনাঙ্গের প্রবেশ পথের - সেন্টিমিটার ভিতরে ইলাস্টিক বা স্থিতিস্তাপক একধরণের টিস্যু থাকে। একে বলা হয় hymen. এটাকে তুলনাকরা যেতে পারে দরজার ফ্রেম বা চৌকাঠ এর সাথে, যা দরজার চারিদিকে লাগানো থাকে।কিন্তু কোনভাবেই এটি বদ্ধ দরজার সাথে তুলনীয় না। এটির আকৃতি এবং আকার একেকনারীর ক্ষেত্রে একেক রকম হয়। কারো ক্ষেত্রে এটি যৌনাঙ্গের প্রবেশপথের চারিদিকে গোল করে লাগানো থাকে, কারো ক্ষেত্রে এটি অর্ধচন্দ্রাকৃতি অর্থাৎ শুধু একপাশে লাগানো। বেশি সংখ্যক নারীর ক্ষেত্রেই এটি অর্ধচন্দ্রাকৃতি এটির আকারও একেক নারীর ক্ষেত্রে একেকরকম হয়। যোনী পথকে একটা ঘড়ি আকৃতিরজিনিস হিসেবে কল্পনা করলে, সবচেয়ে বড় hymen এর আকার হলো, যদিএকটা ঘড়িতে যদি ১০টা ১০ বেজে থাকে, তবে ঘন্টা মিনিটের কাটা দুটিরমধ্যবর্তী স্থানটুকু hymenদ্বারা আবৃত থাকলে। সবচেয়ে ছোট hymen হলো যদি ঘড়িতে ৬টা বেজে থাকে, তবে ঘন্টা মিনিটের কাটা দুটিরমধ্যবর্তী স্থানটুকু hymenদ্বারা আবৃত থাকলে,খুব কম সংখ্যক নারী (.০৩% নারী) hymen ছাড়া জন্মগ্রহণ করেন। আবার খুব কমসংখ্যক নারী যৌনাংগের প্রবেশ পথ রুদ্ধকারী hymen নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন। যতদিন পর্যন্ত এরা প্রাপ্তবয়স্কনা হয় এবং ঋতুস্রাব নাহয়, তারা কোন সমস্যা বোধ করেন না।বয়প্রাপ্তির পর ঋতুস্রাব বের হতেনাপেরে ভিতরের দিকে চলে যায় ব্যাথারসৃষ্টি করে। মেডিকেলের ভাষায় একে বলা হয়, hematocolpos এদের অপারেশন এর মাধ্যমে hymen অপসারণেরমাধ্যমে ঋতুস্রাববের করে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হয়। একটি নারী কুমারী হলেও নিম্নের কিছু কারণে, প্রথম মিলনে রক্তপাত না হতে পারে। >দরজার চৌকাঠের উদাহরণ থেকে বোঝা যায় যে, প্রথম মিলনে রক্তপাত ্যান্ডম বা আপেক্ষিক ব্যাপার। এটি নির্ভর করবে মিলনের তীব্রতা/ রুক্ষতা, যোনীপথের পিচ্ছিলতা ইত্যাদিবিষয়ের উপর। আগের যুগে প্রথম মিলনে অনেক নারীই ভীত থাকত এবংসঠিক ভাবে উত্তেজিত হতে পারতো না, তাইhymen ছিড়ে রক্তপাতের শিকার হত। বর্তমান যুগে যৌনক্রীড়ায়মেয়েদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রথম মিলনে রক্তপাতের সম্ভাবনা আরো কমিয়ে দেয়। >কারো কারো hymen জন্মগত ভাবে পাতলা থাকতে পারে এবং শারিরীক এক্টিভিটি যেমন ব্যায়াম, সাইকেল চালনা ইত্যাদির কারণে তা অজ্ঞাতসারে ছিড়ে যেতে পারে। >উপরে hymen এর যে আকার বলাহয়েছে সেই অনুযায়ী কারো hymen এর আকার ছোট হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে hymen ছিড়ে যাওয়া নির্ভর করে পুরুষাঙ্গেরআকারের উপরে। >আবার নারী ভেদে hymen এর স্থিতিস্থাপকতা কম বেশী হতে পারে। যার স্থিতিস্থাপকতা বেশী, তার hymenছেড়ার সম্ভাবনা কম। > বয়স বাড়ার সাথে সাথে hymen এর স্থিতিস্থাপকতা বাড়তে থাকে। পুরোন যুগে মেয়েদের কম বয়সে বিয়ে এবং কমস্থিতিস্থাপক hymenপ্রথম মিলনে ছিড়ে রক্তপাত ঘটাত বলেই নারীর সতীত্বের সাথে রক্তপাতের সম্পর্কের ধারণা গড়ে উঠে। কিন্তু বর্তমানে মেয়েদের বেশী বয়সে বিয়ে হওয়াতে, অধিকতর স্থিতিস্থাপক hymenএর কারণেঅনেকে রক্তপাতের সম্মুখীন না হতে পারেন। > এছাড়াও খুব কম সংখ্যক নারীর জন্মগতভাবে hymen থাকেনা। এদের ক্ষেত্রে তাই প্রথম মিলনে hymen থেকে রক্তপাতের কথাটা খাটেনা। আবার কোন কোন নারী কুমারী না হলেও তাররক্তপাত হতে পারে >যদি কোন নারী যথেষ্ট পরিমানে উত্তেজিত না থাকে এবং যৌনরস দ্বারা যোনিপথ পিচ্ছিল না থাকে অথবা পুরুষসংগী যদি রুক্ষ ভাবে মিলনে অভ্যস্ত থাকে সে ক্ষেত্রে যোনীর টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে রক্তপাত হতেপারে। কিন্তু এই রক্ত hymen থেকে আসেনা। তবে আপেক্ষিক ভাবে রক্তের উৎস সম্নধে জানার কোন উপায় থাকেনা। >কিছু ইনফেকশনের কারণে মিলনের সময় রক্তপাত হতে পারে (যেমন Chlamydia infection) >প্রথম মিলনেই hymen নির্মূল হবে তা নয়। আবার কয়েকটি মিলনে অল্প অল্পকরে নির্মূল হতে পারে। ফলে কুমারী না এমন নারীও কিন্তুমিলনের সময় রক্তপাতের সম্মুখীন হতে পারে, যদিও এটা তার প্রথম মিলন নয়। ঠিক কত ভাগ মহিলা প্রথম মিলনে রক্তপাতের সম্মুখীন হন, তা নিয়ে তেমনব্যপক কোন গবেষনা হয়নি। ১৯৯৮ সালে Dr. Sara Patterson-Brown এর করা the British Medical Journal প্রকাশিত একটি গবেষনার কথা জানা যায়। গবেষনাতে অংশগ্রহণ কারী ৬৩% মহিলা জানান যে তারা প্রথম মিলনে রক্তপাতের সম্মুখীন হননি যুগ যুগ ধরে, এই রক্তপাতের মাধ্যমে সতীত্বের পরীক্ষারকারণে অনেক নারীর প্রতি আংগুল উঠেছে। পৃথিবীর কোথাও কোথাও বিয়ের পর রক্তমাখা বিছানার চাদর প্রদর্শনের রেওয়াজ আছে। আরব বিশ্বে এমন কি বিয়ের আগে অনেক নারী অপারেশন করে hymen প্রতিস্থাপন করেন। যদিও ইসলামি কোন বই-পুস্তকে কোথাও এই পদ্ধতিতে নারীর সতীত্ব প্রমাণিত হয় বলে বলা নেই




বীর্যবান হওয়ার কিছু টিপসঃ



বীর্যবান হওয়ার কিছু টিপসঃ

বীর্যবান হওয়ার কিছু টিপসঃ ১। আকন্দ, জষ্টিমধুর গুড়ো দুধে মিশিয়ে চিনি দিয়ে খেলে যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। ২। কুমড়োর ফুল, আলুকুশীর বীজ, গমের আটা মধু আর ঘি এর সংে খেলে বহুবার মিলনে সক্ষম হওআ যায়। ৩। আতপ চাল, চড়ুই পাখির ডিমের রস, দুধ মিশিয়ে পায়েস করে ঘি মিশিয়ে খেলে মিলন দির্ঘায়ীত হয়। ৪। শতমূল, পাহাড়ী কর্পূর বীজের সংে আখের গুড় মিশিয়ে খেলে বীর্যশালী হওয়া যায়

মেয়েদের আধুনিকায়নঃ




নিচের পরিসংখ্যান অনুযায়ী মিলিয়ে নিনঃ
@ ১৯৭০ সালঃ আমাকে ভালোবাসো,কিন্তু স্পর্শ করোনা
@ ১৯৮০ সালঃ আমকে স্পর্শ করো, কিন্তু চুমুখাবেনা
@ ১৯৯০ সালঃ চুমুখাও কিন্ত, অন্য কিছু করবানা
@ ২০০০ সালঃ সব কিছুই করো, কিন্তু কাউকে কিছু বলবানা
@ 2012 তেঃ যা ইচ্ছা করো,অন্যথায় আমি সবাইকে বলেদিব তুমি কিছু করতে পার না
@ আর বর্তমানে ২০১৩ সালে প্রেম করলে বিয়ে করতে হবে, না হয় অন্য কাউকে যে তোমার চেয়ে দেখতে ভাল, অর্থ আছে তার কাছে চলে যাব।